মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

এস এ শাখা, চট্টগ্রাম

  • শাখার সাংগঠনিক কাঠামো
  • শাখার পরিচিতি
  • কার্যক্রম
  • নাগরিক সেবা
  • ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • সভা
  • চলতি প্রকল্পসমূহ
  • শাখার ফর্মসমূহ
  • ডিজিটাল গার্ড ফাইল
  • আইন ও পলিসি
  • অন্যান্য
  • যোগাযোগ

প্রোফাইল

প্রোফাইল

প্রোফাইল

- ভূমি উন্নয়ন কর ও বিবিধ আয় আদায় ও জমাকরণ সংক্রান্তকার্যক্রম।
- কৃষি/অকৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত কার্যক্রম গ্রহণ সংক্রান্ত।
- নামজারী মামলার নিষ্পত্তি সংক্রান্ত কার্যক্রম।
- সায়রত মহল ইজারা সংক্রান্তকার্যক্রম গ্রহণ।
- উচ্ছেদ সংক্রান্ত কার্যক্রম।
- আবাসন প্রকল্প সংক্রান্তকার্যক্রম।
- কর্মচারীদের পেনশন, সাধারণ ভবিষ্যৎ তহবিল, অগ্রিম, গৃহ নির্মাণ/মোটর সাইকেল ক্রয় অগ্রিম, শ্রান্তি বিনোদন, টাইমস্কেল, দক্ষতাসীমা, অর্জিত ছুটি, মৃত কর্মচারীদের পরিবারের কল্যাণ/যৌথ বীমার মাসিক রিপোর্ট সংক্রান্ত।
- সীমানা নির্ধারণ সম্পর্কিত কাজ।
- ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করা।
- ভূমি কর হ্রাস/বৃদ্ধি করার সম্পর্কিত কাজ।
- পরিত্যাক্ত সম্পত্তি/অর্পিত সম্পত্তি সম্পর্কিত কাজ।
- ভূমি কর ও বিবিধ কর আদায়ের মাসিক ও বার্ষিক বিবরণ সরকারের নিকট পেশ করা।
- ভূমি হস্তান্তর কেস সম্পর্কিত কাজ।
- ওয়াকফ, দেবোত্তর ও ট্রাস্টি সম্পর্কিত কাজ।
- ভূমি অফিসের নির্মান ও মেরামত সম্পর্কিত কাজ।
- তহসিলে সিন্দুক ও বন্দুক রক্ষণাবক্ষণ সম্পর্কিত কাজ।
- ভূমি রাজস্ব কেস সম্পর্কিত কাজ।
- ভূমি কর অনাদায়ী থাকার কারণে সার্টিফিকেট কেস সম্পর্কিত কাজ।
- রিকুইজিশন করা বাড়ী ঘর তত্ত্বাবধান ও আনুষঙ্গিক কাজ সম্পর্কিত কাজ।
- হাট-বাজার, সায়রত মহল, জলমহল, বালু মহল সম্পর্কিত কাজ।
- ভূমি সংস্কার বাস্তবায়ন সম্পর্কিত কাজ।
- ভূমি রেকর্ড ও সংশোধনী জরিপ সম্পর্কিত কাজ।
- ঋণ সালিশি আইন বাস্তবায়ন সম্পর্কিত কাজ।
- আপিল কেস সম্পর্কিত কাজ।
- সরকারী উকিল নিয়োগ সম্পর্কিত কাজ।
- খাস জমি বন্দোবস্ত আদর্শ গ্রাম, বস্তিউন্নয়ন, আশ্রয়ন, আবাসন নির্মাণ সম্পর্কিত কাজ।
- মৌজার সীমানা খুঁটি এবং আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার রক্ষণাবেক্ষণ ও পুননির্মাণ করার কাজ।
- ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি সম্পর্কিত কাজ।
- শাখা সংক্রান্ত বিবিধ কার্যক্রম।

প্রোফাইল

 

 

রাজস্ব শাখা কর্তৃক সম্পাদিত নাগরিক অধিকার সমূহঃ

 

ক্রমিক নং

সেবার নাম

সেবা প্রাপ্তির প্রক্রিয়া

সেবা প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় সময়ঃ

০১.

অকৃষি খাস জমি বন্দোবসত্ম প্রদান।

১৯৯৫ সালের নীতি মালার আলোকে অকৃষি খাস জমি বন্দোবসত্ম পাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করতে হয়। বর্তমানে অকৃষি খাস জমি পাহাড় ও টিলা শ্রেণীর জমির বন্দোবসত্ম কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বিভাগীয় শহরে টেন্ডারের  মাধ্যমে নিলামের ব্যাবস্থা রয়েছে। আবেদন প্রাপ্তির সাথে সাথে নথি উপস্থাপনের মাধ্যমে সংশিস্নষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য বলা হয়। প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর তা সংশিস্নষ্ট নথিতে পরবর্তী সিদ্ধামেত্মর জন্য পেশ করা হয়।

জেলা পর্যায়ে আবেদন প্রাপ্তির ০৩ (তিন) কার্যদিবসের মধ্যে উপস্থাপন। ০৫(পাঁচ) কার্যদিবসের মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়াকরণ। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে জেলা প্রশাসক বরাবরে প্রতিবেদন প্রেরণ। প্রতিবেদন প্রাপ্তির ১০(দশ) দিনের মধ্যে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের অনুমোদনক্রমে ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ ।

০২.

কৃষি খাস জমি বন্দোবসত্ম প্রদান।

ভূমিহীন হিসেবে কৃষি খাস জমি বন্দোবসত্ম প্রদানের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে নির্ধারিত ফরমে (সংশিস্নষ্ট ভূমি অফিস হতে সংগ্রহ করতে হবে)&আবেদন পেশ করতে হবে। ১৯৯৭ সালের কৃষি খাস জমি বন্দোবসত্ম নীতিমালার আলোকে আবেদন পাওয়ার পর ভূমিহীন হিসেবে সংশিস্নষ্ট বাছাই কমিটিতে অমত্মর্ভূক্ত সাপেক্ষে কেস নথি সৃজন করে তা উপজেলা কমিটির মাধ্যমে সুপারিশ সহকারে জেলা কমিটি হতে বন্দোবসত্ম  নথি পাওয়ার পর তা জেলা কমিটিতে প্রেরণ করতে হয়। উপজেলা কমিটি হতে বন্দোবসত্ম নথি পাওয়ার পর তা জেলা কমিটিতে যাচাই বাচাইকক্রমে নীতিমালার আলোকে বন্দোবসত্ম নথি অনুমোদনের পর তা উপজেলায় পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহনের জন্য ফেরৎ প্রদান করা হয় ( কবুলিয়ত সম্পাদনসহ আনুষাংগিক কার্যক্রমের জন্য)।

উপজেলা কমিটি হতে/কর্তৃক ভূমিহীনদের বন্দোবসত্ম প্রসত্মাব জেলা প্রশাসক বরাবরে প্রেরণ করেন। প্রসত্মাব সমূহ যাচাই বাছাইয়ের জন্য ১৫(পনের) দিন। যাছাই বাছাইক্রমে জেলা কমিটিতে পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের  মধ্যে সভায় উপস্থাপন। জেলা কমিটির সভার সিদ্ধামত্ম সম্বলিত কার্যবিবরনী  ১৫(পনের) দিনের মধ্যে পেশ। পরবর্তী ১০(দশ) দিনের মধ্যে বন্দোবসত্ম নথি সমূহ অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন। অনুমোদিত নথি সমূহ ০৭(সাত) দিনের মধ্যে সহকারী কমিশনার বরাবরে প্রেরণ করা হয়।

০৩.

বালু মহাল ইজারা

প্রতিবছর চট্টগ্রাম জেলায় বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১লা বৈশাখ এর পূর্বে বালু মহাল সমূহ ইজারা প্রদানের জন্য পত্রিকার মাধ্যমে দরপত্র বিজ্ঞপ্তি আহবান করা হয়। জেলা বালু মহাল কমিটি কর্তৃক বালুমহালের দরপত্র সমূহ যাচাই বাছইক্রমে সর্বোচ্চ দরদাতা নির্ধারন করে ভূমি মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়।

দরপত্র বিজ্ঞপ্তির নির্দিষ্ট তারিখে দরপত্র পাওয়ার পর যাচাই বাছাইক্রমে সর্বোচ্চ দরদাতা নির্ধরণ ক্রমে সভার কার্যবিবরণী ০৭(সাত) দিনের মধ্যে প্রস্ত্ততক্রমে ভূমি মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়।

০৪.

পরিত্যক্ত সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা

পরিত্যক্ত সসম্পত্তির (জমি) একসনা ইজারা নবায়নের জন্য জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবরে আবেদন করতে হয়। আবেদন প্রাপ্তির পর সংশিস্নষ্ট নথিতে উপস্থাপনক্রমে বিধি মোতাবেক প্রতিবেদন প্রদানের জন্য সংশিস্নষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) হতে একসনা ইজারা নথি (প্রতিবেদন সমেত) পাওয়ার পর তা সিদ্ধামত্ম / অনুমোদনের জন্য পেশ করা হয়। জেলা প্রশাসক মহোদয় হতে অনুমোদন লাভের পর সরকার নির্ধারিত ইজারা ফি আদায় ও চুক্তি পত্র সম্পাদনের নিমিত্তে নথি সংশিস্নষ্ট সহকারী কমিশনার বরাবরে ফেরত প্রদান করা হয়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) হতে প্রতিবেদন সমেত নথি পাওয়ার পর ০৩(তিন) দিনের মধ্যে পেশ করা হয়। ০৭(সাত) কার্যদিবসের মধ্যে প্রসত্মাব অনুমোদনক্রমে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহনের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে নথি ফেরত প্রদান করা হয় ।

০৫.

চিংড়ি মহাল বন্দোবসত্ম প্রদান।

চিংড়ি মহাল বন্দোবসত্ম  পাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক/ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) বরাবর আবেদন প্রাপ্তির পর নথি উপস্থাপনের মাধ্যমে সংশিস্নষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর প্রেরণ করা হয় । উপজেলা পর্যায়ে কমিটি কর্তৃক আবেদন সমূহ যাচাই বাছাইকক্রমে চিংড়ি চাষের উপযোগী হলে নথি রজুক্রমে তা জেলা কমিটির অনুমোদনের পর নথি সংশিস্নষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে প্রেরণক্রমে নির্ধারিত হারে ইজারা ফি আদায় এবং চুক্তি পত্র রেজিষ্ট্রি সম্পাদন করা হয়।

উপজেলা চিংড়ি মহাল কমিটি হতে প্রাপ্ত নথি সমূহ যাচাই বাছাইয়ের ১০(দশ) দিন। জেলা চিংড়ি মহাল কমিটি বরাবরে উপস্থাপনের জন্য ২০(বিশ)দিন। জেলা কমিটির সভায় অনুমোদনের পর কার্যবিবরণীর জন্য ১০(দশ)দিন। নথি অনুমোদনক্রমে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সহকারী কমিশনার(ভূমি) বরাবরে প্রেরণ করা হয়।

০৬.

লবন মহাল বন্দোবসত্ম প্রদান।

লবন মহাল বন্দোবসত্ম পাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক/অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) বরাবরে আবেদন করতে হয়। আবেদন প্রাপ্তির পর তা সংশিস্নষ্ট উপজেলা ভূমি অফিসে প্রেরণ করা হয়। উপজেলা হতে লবন মহাল বন্দোবসেত্মর প্রসত্মাব পাওয়া গেলে তা জেলা কমিটিতে পেশ করা হয়। জেলা লবন মহাল কমিটি কর্তৃক প্রসত্মাব সমূহ সুপারিশসহকারে অনুমোদনের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়।

বিশেষ ক্ষেত্রে লবন মহাল এর ইজারা প্রসত্মাব পাওয়া গেলে তা যাচাই বাছাই এর জন্য ১০(দশ) দিন। জেলা কমিটি বরাবরে পেশ করার জন্য ২০(বিশ)দিন। সভার কার্যবিবরণী অনুমোদনের পর তা ভুমি মন্ত্রণালয়ে প্রসত্মাব অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়।

০৭.

নামজারী আপীল শুনানী।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক সৃজিত নামজারী মামালার আদেশে কোন ব্যক্তি বা সংস্থা সংক্ষুব্ধ হয়ে থাকলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা সংস্থা আদেশের সইমুহুরী নকল পাওয়া সাপেক্ষে অতিঃজেঃপ্রঃ(রাজস্ব) মহোদয় বরাবরে আপীল আবেদন দায়ের করেন(৩০দিন অতিবাহিত হওয়ার পূর্বে) আপীল গৃহীত হওয়ার পর সংশিস্নষ্ট নামজারী নথি তলবক্রমে উভয় পক্ষকে নোটিশ প্রদান করে শুনানী দিয়ে নিষ্পত্তি/ আদেশ প্রদান করা হয়।

শুনানী শেষে আদেশের জন্য ০১(এক) মাস।০

প্রোফাইল

ছবি নাম মোবাইল

প্রোফাইল

প্রোফাইল

0

প্রোফাইল

প্রোফাইল

প্রোফাইল

0

প্রোফাইল

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়,

চট্টগ্রাম।