মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
চট্টগ্রাম ওয়াসা

 

চট্টগ্রাম পানি সরবরাহ ও পয়: নিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ

ওয়াসা ভবন, দামপাড়া চট্টগ্রাম

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

 

সেবা প্রদান পদ্ধতিঃ-

 

ক)

 

পানি সংযোগের জন্য আবেদন করার নিয়ম ও পদ্ধতিঃ

সাধারণ নির্দেশাবলী (আবেদন কারী কর্তৃক করণীয়)ঃ

Ø         

নূতন সংযোগের জন্য গ্রাহক এর আবেদন ফরম চট্টগ্রাম ওয়াসা ভবনস্থ হিসাব শাখা(অর্থ) হতে ১০০(একশত) টাকা মূল্যে সংগ্রহ করতে হয়।

Ø         

আবেদন ফরম পূরন করে জায়গার দলিলের ফটোকপি ২ সেট ; বি, এস, খতিয়ান ২ কপি; সংশিষ্ট মৌজার বি, এস শীট ৩ কপি; পাসপোর্ট সাইজের ছবি ২ কপি; সি,ডি,এর অনুমতিপত্র (যদি থাকে) ২ কপি সত্যায়িত করে র্নিবাহী প্রকৌশলী (বিক্রয় ) বিভাগের দপ্তরে দাখিল করতে হয়।

Ø         

ভাড়াটিয়া / অস্থায়ী আবেদন কারীর ক্ষেত্রে আবেদনের সাথে ১৫০/- টাকার নন জুডিসিয়াল ষ্টাম্পের মাধ্যমে মূল মালিকের সম্মতি পত্র নোটারী পাবলিক থেকে এফিডেবিট করে দাখিল করতে হয়।

Ø         

অস্থায়ী সংযোগ গ্রহণে ইচ্ছুক আবেদন কারীকে সংযোগের মেয়াদ কালের আনুমানিক সময় উল্লেখ করতে হবে।

Ø         

অস্থায়ী পানি সংযোগ স্থানান্তর যোগ্য নহে। অস্থায়ী সংযোগের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হারে জামানত প্রযোজ্যঃ

 

(ক)

৩/৪র্ ব্যাসের জন্য ২৫,০০০/- (পঁচিশ হাজার টাকা)

 

(খ)

১র্ ব্যাসের জন্য ৬০,০০০/- (ষাট হাজার টাকা )

 

 

সাধারণ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ৩/৪র্ ও ১র্ ব্যাসের সংযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হারে জামানত প্রদান করতে হয়।

 

(ক)

৩/৪র্ ব্যাসের জন্য ২৫,০০০/- (পঁচিশ হাজার টাকা)

 

(খ)

১র্ ’’ ’’ ৬০,০০০/- (ষাট হাজার টাকা )

 

 

ওয়াশিং প্লান্ট, বেভারেজ প্লান্ট, মৎস্য প্রক্রিয়া করণ প্লান্ট, ভেজিটেবল ওয়েল ইন্ডাষ্ট্রিজ ও মিনারেল ওয়াটার বোতল জাত কর প্লান্টের ব্যবহারের জন্য সংযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত ভাবে জামানত প্রদান করতে হয়।

 

(ক)

৩/৪র্ হইতে ১র্ ব্যাসের জন্য ১,৫০,০০০/-/- ( এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা)

 

(খ)

২র্ ব্যাসের সংযোগের জন্য ৩,০০,০০০/- ( তিন লক্ষ টাকা )

 

কর্তৃপক্ষ কর্তৃক করণীয়ঃ

ক)

আবেদন প্রাপ্তির ৩ দিনের মধ্যে বিক্রয় বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী সংযোগ স্থল সরে জমিনে তদন্ত ক্রমে সুনির্দিষ্ট মতামত সহ প্রতিবেদন নির্বাহী প্রকৌশলী (বিক্রয়)এর নিকট দাখিল করবেন ।

খ)

নির্বাহী প্রকৌশলী প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৩ দিনের মধ্যে বানিজ্যিক ব্যবস্থাপকের নিকট নথি

উপস্থাপন করবেন ।

গ)

বানিজ্যিক ব্যবস্থাপক ২ দিনের মধ্যে সদস্য (অর্থ) এর নিকট নথি প্রেরন করবেন।

 

ঘ)

সদস্য (অর্থ) এই বিষয়ে ২ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন । অর্থাৎ পানি সংযোগের

আবেদনটি সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে।

(ঙ)

 

সদস্য (অর্থ) কর্তৃক অনুমোদনের পর ( ৩/৪’’ সংযোগের ক্ষেত্রে) ১ কর্মদিবসের মধ্যে বিক্রয় বিভাগ ডিমান্ড নোট ইস্যু করবে ।

(চ)

 

গ্রাহক কর্তৃক ডিমান্ড নোট অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংযোগ ফি নির্ধারিত ব্যাংকে পরিশোধের পর ডিমান্ড নোটের কপি গ্রাহক বিক্রয় বিভাগে জমা দিবেন ।

(ছ)

 

বিক্রয় বিভাগ গ্রাহক কর্তৃক পরিশোধিত ডিমান্ড নোটের কপি পাওয়ার পর ২ কর্ম দিবসের মধ্যে সংযোগ প্রদানের অনুমতি পত্র জারী করবেন ।

( জ )

 

৩/৪র্ ব্যাসের সংযোগের অনুমোদন সদস্য(অর্থ) প্রদান করবেন।

১র্ ব্যাসের পানি সংযোগের অনুমোদন চেয়ারম্যান প্রদান করবেন।

( ঞ )

২র্ ও তদোর্ধ ব্যাসের পানি সংযোগ সমূহের জন্য ওয়াসা বোর্ডের অনুমোদন নিতে হবে।

 

ইনডেন্ট অনুযায়ী সংযোগ মালামাল সংগ্রহঃ

Ø         

সংযোগ অনুমতি পত্র জারীর পর গ্রাহক চট্টগ্রাম ওয়াসার সুপারিশকৃত মান সম্পন্ন মালামাল সংগ্রহ করবেন ;

Ø         

প্রযোজ্য ক্ষেত্রে গ্রাহক চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট হতে রাস্তা কাটার আনুমতি পত্র সংগ্রহ করবেন ;

Ø         

উপরোক্ত কার্যাদি সম্পাদন হওয়ার এক কর্ম দিবসের মধ্যে পানির সংযোগ প্রদান করা হবে।

 

(খ) সংযোগ স্থানান্তর / সংযোগের আকার পরিবর্তন।

১ )

সংযোগ স্থানান্তর কিংবা সংযোগের আকার পরিবর্তনের জন্য গ্রাহক কে নির্ধারিত ফরমে নির্বাহী প্রকৌশলী (বিক্রয়) এর নিকট আবেদন করতে হবে ।

২)

গ্রাহকের আবেদন প্রাপ্তির পর বিক্রয় বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ৩ দিনের মধ্যে সংযোগস্থল তদন্ত করে নির্বাহী প্রকৌশলীর নিকট নথি উপস্থাপন করবেন।

৩)

পরবর্তী দুই কর্মবিদসের মধ্যে বিক্রয় বিভাগ হতে ডিমান্ড নোট ও রাস্তা কাটার অনুমতি পত্র জারী করা হবে ।

৪ )

ডিমান্ড নোটের টাকা জমা হওয়ার কপি এবং রাস্তা কাটার অনুমতি পত্র বিক্রয় বিভাগে

পাওয়ার দুই দিনের মধ্যে সংযোগ স্থানান্তর / সংযোগের আকার পরিবর্তন সংক্রান্ত অনুমতি পত্র জারী করা হবে।

(গ) বস্তি এলাকায় পানি সংযোগঃ

 

চট্টগ্রাম ওয়াসা বস্তি এলাকায় সরাসরি কোন পানি সংযোগ প্রদান করে না। বস্তি উন্নয়ন বিষয়ক এন, জি, ও প্রতিষ্ঠান দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডি, এস,কে )কর্তৃক আবেদন কৃত ৯টি বস্তিতে দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র ( ডি এস কে) এর নামে পানি সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। সংশিষ্ট এন, জি, ও ওয়াসাকে নিয়মিত পানি অভিকর পরিশোধ করে ।

৫। নতুন মিটার স্থাপন প্রতিস্থাপনের নিয়ম ও পদ্ধতিঃ

 

Ø         

প্রতিটি নতুন পানির সংযোগ প্রদানে মিটার স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ।

সংযোগের বিদ্যমান মিটার নষ্ট বা গ্রাহক কর্তৃক অতিরিক্ত রিডিং অনyুমত হলে নির্ধারিত টেষ্টিং ফি পরিশোধ পুর্বক মিটার ওয়ার্ক সপ হতে মিটার পরীক্ষা করা যাবে।

Ø         

বিদ্যমান মিটার চুরি হলে গ্রাহক কর্তৃক সংশিষ্ট   থানায় জি,ডি করে কপি সহ আবেদন করলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন স্বাপেক্ষে নির্ধারিত ফি জমা দানের জন্য চাহিদা পত্র ইস্যু করা হয় ।  চাহিদা পত্র মোতাবেক টাকা   পরিশোধ করলে ওয়াসা কর্তৃক মিটার স্থাপন করা হয়।

Ø         

বিদ্যমান মিটার নষ্ট হয়ে গেলে ওয়াসার নির্ধারিত ঠিকাদার কর্তৃক মিটার প্রতিস্থাপন করা হয় এবং পরবর্তীতে মিটার প্রতিস্থাপনের নির্ধারিত টাকা বিলের সাথে আদায় করা হয় ; তা ছাড়া মিটার নষ্ট হয়ে গেলে গ্রাহকের   আবেদনের প্রেক্ষিতে নির্ধারিত ফি আদায় পূর্বক মিটার প্রতিস্থাপন করা হয় ।

৬। ব্যক্তি / প্রতিষ্ঠান মালিকানাধীন গভীর নলকুপঃ-

Ø         

গ্রাহক চট্টগ্রাম ওয়াসার সরবরাহ কৃত পানির পরিমান প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত মনে না করলে নিজস্ব ব্যবস্থায় গভীর নলকুপ স্থাপনের জন্য ১০০/- (একশত) টাকা মূল্যে নির্ধারিত ফরম ওয়াসা ভবনস্থ হিসাব বিভাগ হতে ক্রয় করে চেয়ারম্যান / বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক বরাবর আবেদন করতে পারবেন।

Ø         

গ্রাহকের আবেদনের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম ওয়াসা কর্তৃক সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন তৈরী করা হয় ।

Ø         

তদন্ত প্রতিবেদনে গভীর নলকুপ স্থাপন গ্রহণ যোগ্য বিবেচিত হলে উক্ত প্রতিবেদন বিবেচনা ক্রমে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহোদয়  গভীর নলকুপ স্থাপনের অনুমতি প্রদান করেন। নথি অনুমোদনের পরবর্তী তিন কার্যদিবসের মধ্যে রাজস্ব

কর্মকর্তা চাহিদা পত্র ইস্যু করেন।

Ø         

চাহিদা পত্রে বর্ণিত অর্থ জমা দেয়ার কাগজ পত্র সংশিষ্ট রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট দাখিল করলে প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা অনুমতি পত্র তথা লাইসেন্স বই ইস্যু করেন ।

Ø         

ব্যক্তি মালিকানাধীন গভীর নলকূপের জন্য নির্ধারিত লাইসেন্স ফি ও বাৎসরিক নবায়ন ফি পরিশোধ করতে হবে।

Ø         

কর্তৃপক্ষ জনস্বার্থে যে কোন ব্যক্তি মালিকানাধীন গভীর নলকুপ যে কোন সময় স্থায়ী বা সাময়িক ভাবে বন্ধ করে  দিতে পারবে।

গভীর নলকুপের জন্য বিদ্যমান লাইসেন্স ও নবায়ন ফিঃ-

ব্যাস ইঞ্চি

লাইসেন্স ফি

বাৎসরিক নরায়ন ফি

 

আবাসিক

অনাবাসিক

আবাসিক

অনাবাসিক

৬র্

৮০,০০০/-

২,২৫,০০০/-

৭৫,০০০/-

১,৩৭,৫০০/-

৪র্

৫০,০০০/-

১,৪০,০০০/-

২৫,০০০/-

৮৭,৫০০/-

২র্-৩র্

৩০,০০০/-

৫৫,০০০/-

১৫,০০০/-

৩৩,৭৫০/-

 

   

 

সময়ে সময়ে এই ফি পরিবর্তন যোগ্য

Ø         

বর্তমানে ৩০ জুন  ১২ পর্যন্ত ১ বৎসরের জন্য আবাসিক গভীর নলকুপের লাইসেন্স ফি সরকার কর্তৃক পুনঃ নির্ধারন করা হয়েছে। পুনঃ নির্ধারিত ফি মোতাবেক ৪র্ ব্যাসের আবাসিক গভীর নলকুপের লাইসেন্স ফি ৫০,০০০/- টাকা, নবায়ন ফি ২৫,০০০/- টাকা এবং ২র্- ৩র্ ব্যাসের গভীর নলকুপের লাইসেন্স ফি ৩০,০০০/-  টাকা, নবায়ন ফি ১৫,০০০/- টাকা।

Ø         

পূর্ববর্তী মাসের পানি ব্যবহারের বিল চলতি মাসের ২০ তারিখের মধ্যে জারী করা হয় এবং জারীর তারিখ  হতে ১(এক) মাস সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ করা যাবে।   বিল জারীর একমাসের মধ্যে গ্রাহককে তার এলাকার জন্য নির্ধারিত ব্যাংকের শাখায় ( বিলের উপরে উলেখিত  ব্যংকের শাখা) পরিশোধ করতে হয়। তবে গ্রাহক ইচ্ছে করলে অত্র কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত (বিলের উপর উল্লিখিত)  তার নিকটস্থ যে কোন ব্যাংকের শাখায় বিল পরিশোধ করতে পারবেন। বাংলা লিংক ও গ্রামীন ফোনের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।  নির্ধারিত সময় সীমার মধ্যে বিল পরিশোধ না করলে পরবর্তী প্রথম মাসে মোট বিলের ৫% , দ্বিতীয় মাসে  ১০% এবং ৩য় মাসে ১৫% হারে সার চার্জ সহ বিল পরিশোধ করতে হয়।  চেকের মাধ্যমে অথবা নগদ অর্থে বিল পরিশোধ করা যায়। তবে চেক dishonourহলে গ্রাহক এর  বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার বিধান রয়েছে।

Ø         

বিল হারিয়ে গেলে বা অন্য কোন কারনে বিল পাওয়া না গেলে সম্মানিত গ্রাহক চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান অফিস ভবনে অবস্থিত কম্পিউটার শাখা থেকে ডুপিকেট বিল সংগ্রহ করে পরিশোধ করতে পারবেন।

Ø         

জারী কৃত বিলের বিষয়ে কোন আপত্তি থাকলে গ্রাহক সংশিষ্ট  রাজস্ব কর্মকর্তা বা প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বা বাণিজ্যিক ব্যাবস্থাপকের অফিসে যোগাযোগ করে আপত্তি নিস্পত্তি করতে পারেন।

Ø         

বিল জারীর পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গ্রাহকের কাছে পৌছানো হয়,নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে গ্রাহক বিল না পেয়ে থাকলে সংশিষ্টরাজস্ব কর্মকর্তা বা প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তার অফিসে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন।

Ø         

মিটারযুক্ত সংযোগের ক্ষেত্রে মাসিক ভিত্তিতে মিটার রিডিং সংগ্রহ করা হয় এবং সেই অনুসারে কম্পিউটারাইজড বিল জারী করা হয়।

Ø         

মিটার বিহীন সংযোগের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত হারে বিল পরিশোধ করতে হয় ।

৮। বকেয়া বিল আদায়ঃ

Ø         

বিল পরিশোধের জন্য ৩০ দিন সময় দেয়া হয়। উক্ত সময়ে বিল পরিশোধ না করা হলে বিলের উপরে নির্ধারিত হার অনুসারে সার চার্জ সহ আর ও ৩ মাস পর্যন্ত বিল  পরিশোধ করা যাবে।

Ø         

উক্ত ৩ মাস পর বিলটি বকেয়া হিসেবে গন্য করা হয় এবং বকেয়া আদায়ের জন্য নির্দিষ্ট সময় দিয়ে নোটিশ দেয়া হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধে ব্যর্থ হলে  সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলে সম্মানিত গ্রাহক বকেয়া পরিশোধ করে পুনঃ সংযোগের  আবেদন করতে পারেন। গ্রাহকের আবেদন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিবেচিত হলে নির্ধারিত পুনঃ সংযোগ ফি প্রদান পূর্বক পুনঃ সংযোগ পেতে পারেন ।  সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর গ্রাহক বকেয়া পরিশোধ না করলে চট্টগ্রাম ওয়াসায়  নিয়োজিত বিশেষ মহানগর হাকিমের আদালতে Public Demands Recovery Act 1913  অনুসারে মামলা দায়েরের মাধ্যমে বকেয়া আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহন  করা হয়।

Ø         

গ্রাহক কর্তৃক মিটারের টেম্পারিং, সংযোগে অবৈধ হস্তক্ষেপ কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে  সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে গ্রাহকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়ে থাকে।  মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের নির্দেশমতে  প্রতি পঞ্জিকা বছর শেষে যে সকল গ্রাহকের বিল পরিশোধ আছে তাদের না দাবী পত্র এবং যে সকল গ্রাহকের বকেয়া আছে তাদের বকেয়া অভিকর পত্র প্রদান করা হয়।

৯. পানি সরবরাহে বিঘ্নের জন্য নোটিশ প্রদানঃ-

Ø         

কোন কারণে পানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভবনা দেখা দিলে তা ১(এক) দিন পূর্বে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গ্রাহকবৃন্দকে জানিয়ে দেয়া হয়। উক্ত সময়ের জন্য গ্রাহক গণ পূর্ব থেকেই পানি জমা করে রাখতে পারেন অথবা গ্রাহকগণ লরীর ( পানিবাহী গাড়ী ) মাধ্যমে সরবরাহ কৃত পানি ক্রয় করে নিতে পারেন।

Ø         

পানি সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও নিরসনের জন্য চট্টগ্রাম ওয়াসার অভিযোগ কেন্দ্র সমূহে গ্রাহক বৃন্দ যোগাযোগ করতেপারেন।

 

১০. গাড়ি দ্বারা পানি সরবরাহঃ-

Ø         

চট্টগ্রাম ওয়াসার দামপাড়াস্থ ওয়াটার ওয়ার্ক্স এর সহকারী প্রকৌশলীর অফিস থেকে পানি বহনকারী গাড়ী দ্বারা যে কোন জরুরী প্রয়োজনে গ্রাহকের চাহিদার ভিত্তিতে পানি সরবরাহ করা হয়ে থাকে। প্রতি গাড়ীপানির মূল্য নিম্নরূপঃ-

গ্রাহকের নিজস্ব গাড়ীর মাধ্যমে

প্রতি  ১,০০০ লিটার

টাকা ৩০.০০

 

সময়ে সময়ে এই মূল্য পরিবর্তন যোগ্য।

১১. পানির গুনগত মান নিশ্চিত করণঃ-

Ø         

মোহরা ওয়াটার ট্রিটমেন্ট পস্ন্যন্টের ল্যাবরেটরীতে প্রতিদিন ওয়াসার পানির গুনগত মান পরীক্ষা করা হয়। তদুপরি কোন গ্রাহকের কাছ থেকে পানির গুনগত মান সম্পর্কে অভিযোগ পাওয়া গেলে ২৪(চবিবশ) ঘন্টার মধ্যে পরীক্ষা করে তা গ্রাহককে জানানো হয়।

Ø         

পানি সরবরাহে ঘাটতি সহ পানি সরবরাহ সংক্রান্ত কোন সমস্যার সৃষ্টি হলে সম্মানিত গ্রাহক গণ তাৎক্ষনিক ভাবে প্রধান কার্যালয় অথবা সংশিষ্ট মড কার্যালয়ে অথবা নির্ধারিত অভিযোগ কেন্দ্রে অভিযোগ করতে পারেন । অভিযোগ পাওয়ার পর ২৪(চবিবশ) ঘন্টার মধ্যে সংশিষ্ট কর্মকর্তা গণ প্রাথমিক তদন্ত করবেন। তদন্তের পর কর্তৃপক্ষ ৩(তিন) দিনের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে গ্রাহক কে অবহিত করবেন। অভিযোগ জানানোর টেলিফোন নম্বর নিম্নরূপঃ-

অফিসের নাম

টেলিফোন নম্বর

(ক) দামপাড়া ওয়াটার ওয়ার্ক্স অভিযোগ কেন্দ্র

৬১৬৫৯২

(খ) জুবিলী রোড অভিযোগ কেন্দ্র

৬১৬৭৬৮

(গ) কালুরঘাট/ চান্দগাঁও/ চকবাজার অভিযোগ কেন্দ্র (মড-২)

৬১৭৯৭৩

(ঘ) আগ্রাবাদ অভিযোগ কেন্দ্র

৭২৪৮৭৫

(ঙ) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (মড সার্কেল)

৬৩৭২৪০

(চ) প্রধান প্রকৌশলী

২৮৫১৬৯৮

 

 

চট্টগ্রাম ওয়াসার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ-

 

ক)

চট্টগ্রাম মহানগরে পানি সরবরাহ ও পয়ঃ প্রনালীর জন্য চট্টগ্রাম ওয়াসা অর্ডিন্যান্স ১৯৬৩ এর আওতায় চট্টগ্রাম ওয়াসা প্রতিষ্ঠিত হয় ।

খ)

চট্টগ্রাম মহানগরীতে আবাসিক,সামাজিক,দাপ্তরীক, শিল্প কারখানা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের উদ্দেশ্যে পানি উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন , পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ।

গ)

পয়ঃ প্রণালী অবকাঠামো নির্মাণ পূর্বক নাগরিকদের সুয়ারেজ সুবিধা প্রদান এবং স্টর্ম ওয়াটার ড্রেনেজ চট্টগ্রাম ওয়াসার কর্মকান্ডের এখতিয়ার ভূক্ত হলে ও আপাতত: চট্টগ্রাম ওয়াসা পানি সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে। আধুনিক পয়:প্রনালী ব্যবস্থা সহ স্টর্ম ওয়াটার ড্রেনেজ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের জন্য মাষ্টার পস্নান প্রনয়নের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ।

 

চট্টগ্রাম ওয়াসার অংঙ্গীকারঃ-

 

ক)

নিরাপদ ও সুপেয় পানির চাহিদা পুরন এবং সে লক্ষ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন।

 

খ)

সিষ্টেম লস যুক্তি সংগত মাত্রায় কমিয়ে রাজস্ব আয় ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ।

 

গ)

প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি করে মান সম্পন্ন গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করা।

 

ঘ)

দীর্ঘ মেয়াদী পানি সরবরাহ পয়ঃ নিস্কাশন ও বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য

সঠিক ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ ;

ঙ)

পয়:সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যথাসম্ভব স্বল্প সময়ে পয়ঃ প্রনালী ব্যবস্থার অবকাঠামোগত

উন্নয়ন সাধন করা ।

 সাভির্স সমূহঃ- চট্টগ্রাম ওয়াসা পানি সরবরাহের জন্য নিম্নলিখিত সেবা সমূহ প্রদান করছেঃ

 

Ø         

ব্যক্তি/ প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে গভীর নলকুপ স্থাপনে অনুমতি প্রদান ।

 

Ø         

আবাসিক /সামাজিক/শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পানির সংযোগ প্রদান ।

 

Ø         

বন্যা, খরা, ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানাদি সহ যে কোন জরুরী প্রয়োজনে অস্থায়ী সংযোগ ও পানির গাড়ি দ্বারা জরুরী পানি সরবরাহ করা ।

 

চট্টগ্রাম ওয়াসার উর্ধতন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের টেলিফোন নম্বর :-

ব্যবস্থাপনা পরিচালক

২৮৫১৮০৬

উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রশাসন)

২৮৫১৭৬৮

উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ( অর্থ )

২৮৫১৭৯৪

উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রকৌশল )

২৮৫১৭৫১

সচিব

৬১৪২৬৯

বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক

৬১৫৮২৯

প্রধান প্রকৌশলী

২৮৫১৬৯৮

তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ( মড সার্কেল )

৬৩৭২৪০

সিস্টেম এনালিষ্ট

৬২৪১৮৪

নির্বাহী প্রকৌশলী , মড- ১

২৫২৫২৫২

নির্বাহী প্রকৌশলী , মড - ২

৬১৭৯৭৩

 

 

ছবি নাম মোবাইল
ইঞ্জি. এ,কে,এম ফজলুল্লাহ ০১৮১৯৩৪৫২১৫

ছবি নাম মোবাইল

ছবি নাম মোবাইল

 

চট্টগ্রাম ওয়াসা ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে চট্টগ্রাম শহরে পানি সরবরাহ কাজে নিয়োজিত। বর্তমানে চট্টগ্রাম মহানগরীতে লোকসংখ্যা প্রায় ৪০ লক্ষ।  লোক সংখ্যার বিপরীতে মহানগরীতে পানির চাহিদা দৈনিক ৫০ কোটি লিটার। বর্তমানে চট্টগ্রাম ওয়াসা  দৈনিক ২১ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করে, যা চাহিদার তুলনায় ৪২%। চাহিদার তুলনায় এ ঘাটতি মেটানোর জন্য চট্টগ্রাম ওয়াসা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

চলমান উন্নয়ন প্রকল্পঃ

১।কর্ণফুলী পানি সরববরাহ প্রকল্প

জাপান,  বাংলাদেশ সরকার ও চট্টগ্রাম ওযাসার যৌথ অর্থায়নে মোট ৯৬২৯০.০০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসা ‘‘ কর্ণফুলী পানি সরববরাহ প্রকল্প ’’ শীর্ষক প্রকল্পটি গ্রহণ করে। প্রকল্পটি ২০০৬ সালে শুরু হয়ে ২০১০ সালে সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত ছিল। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে পারলে ১৩.৬০ কোটি লিটার পানি উৎপাদন করা সম্ভব হবে। কিন্তু  ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায়নি। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অক্টোবর ২০০৯ ইং তে ভূমি অধিগ্রহণ  কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। ভূমির দখল চট্টগ্রাম ওয়াসা কর্তৃক বুঝে নেয়া হয়েছে। উপরোক্ত জটিলতার কারণে প্রকল্পের মেয়াদকাল জুন ২০১২ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। এ ছাড়াও অনুমোদিত ডিপিপিতে প্রকল্পের ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৯৬২৯০.০০ লক্ষ টাকা যা বর্তমানে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজারে ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় ডিপিপি সংশোধনের প্রয়োজন হয়। সংশোধিত ডিপিপিতে ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৫১,০১৮.৮৪ লক্ষ টাকা। উক্ত সংশোধিত ডিপিপি ০৮/৩/১১ইং তারিখের একনেক বৈঠকে অনুমোদিত হয়। বাস্তব অবস্থার নিরিখে প্রকল্পটির মেয়াদ ডিসেম্বর/২০১৩ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।

প্রকল্পটি প্রধান তিনটি প্যাকেজে সম্পন্ন হবে। প্যাকেজগুলো হলোঃ-

(১) ইনটেক ও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট নির্মাণ(প্যাকেজ C-1)

(২) পাইপ লাইন স্থাপন (প্যাকেজ C-2)

(৩) রিজার্ভার নির্মাণ(প্যাকেজ C-3)।

১। প্যাকেজ-১ঃ ঠিকাদার নিযোগের দরপত্র সরকারের ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটিতে ১০/৪/১১ তারিখে অনুমোদিত হয়।  ১৫/৬/১১ তারিখে ঠিকাদার CNTIC-BSEEC China  এর সহিত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ঠিকাদার কর্তৃক ২০/১১/২০১১ থেকে নির্মাণ কাজ শুরু করেছে। এ প্যাকেজের অগ্রগতি আরো দ্রুত করার জন্য ঠিকাদারের উপর কারিগরী উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম ওয়াসার চাপ অব্যাহত আছে।

২। প্যাকেজ-২ঃ ঠিকাদার নিয়োগের দরপত্র গত ৯/১০/১১ তারিখে সরকারের ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটিতে অনুমোদিত হয়। ১৬/১২/২০১১ তারিখে ঠিকাদার Kubota Murubani JV, Japanএর সহিত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বর্তমানে তারা কাজ শুরু করেছে। এ প্যাকেজের আওতায় প্রায় ১১০ কোটি টাকার মালামাল আমদানী করা হয়েছে। মালামালসমূহ স্টক ইয়ার্ডে সংরক্ষিত আছে।

 

৩। প্যাকেজ-৩ঃ ২২/১১/২০১০ তারিখ সরকারী ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটিতে অনুমোদিত হয়। ৩০/১২/২০১০ তারিখ ঠিকাদারের এর সাথে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ৯/২/২০১১ তারিখ নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয় এবং ঠিকাদার কর্তৃক  নির্মাণ কাজ চলছে। বর্তমানে  এ প্যাকেজের ৫০% বাস্তব কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

২।মোহরা ও কালুরঘাট প্ল্যান্ট পুনর্বাসন প্রকল্প

জাপান সরকারের ঋন মওকূপ তহবিলের অর্থায়নে ৮৬৮৭.১০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসা ‘‘ মোহরাও কালুরঘাট প্ল্যান্ট পুনর্বাসন প্রকল্প ’’ শীর্ষক প্রকল্পটি গ্রহণ করে। প্রকল্পটি ২০০৬ সালে শুরু হয়ে ৩০শে জুন ২০১২ সালে সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত। প্রকল্পটির মাধ্যম পুরাতন কালুরঘাট আয়রন দূরীকরণ ষ্টেশন ও মোহরা পানি সরবরাহ প্রকল্পের প্লান্ট  আধুনিকায়ন হয়। বর্তমানে প্রকল্পটির শতভাগ কাজ বাস্তবায়িত হয়েছে এবং জনগন এর সুফল ভোগ করছে।

৩।জরুরী পানি সরবরাহ প্রকল্প

সম্পূর্ন জিওবি অর্থায়নে ২৭২৬.০০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসা ‘‘জরুরী পানি সরবরাহ প্রকল্প ’’ শীর্ষক প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পটির মাধ্যমে জরুরী ভিত্তিতে চট্টগ্রাম ওয়াসা নগরীতে পানি সরবরাহ করার লক্ষ্যে ২০টি গভীর নলকূপ স্থাপনের মাধ্যমে ৪ কোটি লিটার পানি সরবরাহ বৃদ্ধি করবে। ২৭২৬.০০লক্ষ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি ২০১০ সালের জানুয়ারীতে শুরু হয়ে ডিসেম্বর/২০১২ সালে সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত। প্রকল্পটি ১০.০৫.২০১০ তারিখের একনেক বৈঠকে অনুমোদিত হয়। ইতোমধ্যে প্রকল্পটির বিপরীতে ১৭টি গভীর নলকূপ খনন এবং  চালু করা হয়েছে।  উক্ত গভীর নলকূপ থেকে ২.৪ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করা  হচ্ছে।

৪।এক্সপ্রেস পাওয়ার লাইন স্থাপন ও জেনারেটর ক্রয় প্রকল্প

চট্টগ্রাম ওয়াসার চালুকৃত গভীর নলকূপ হতে নিরবিচ্ছিন্ন পানি সরবরাহের উদ্দেশ্যে নলকূপসমূহকে লোডশেডিং এর আওতামুক্ত রাখার জন্য এক্সপ্রেস পাওয়ার লাইন ও জেনারেটর ক্রয় প্রকল্প নামে ১৬৭৫.৮১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী কর্তৃক অনুমোদিত হয় । প্রকল্পটির বিপরীতে ২০টি জেনারেটর ক্রয় করা হয়েছে এবং  স্থাপনও করা হয়েছে। মহানগরীর যে সকল এলাকায় লোডশেডিং এর কারণে পানি সরবরাহ বিঘ্নিত হয় সে সকল এলাকায় উক্ত জেনারেটরগুলো স্থাপনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হচ্ছে। ৩৭টি গভীর নলকূপে এক্সপ্রেস পাওয়ার লাইন স্থাপন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পটির শতভাগ কাজ বাস্তবায়িত হয়েছে। বর্তমানে জনগন এর সুফল পাচ্ছে।

৫।চট্টগ্রাম ওয়াসা পানি সরবরাহ উন্নীত করণ ও স্যানিটেশন প্রকল্প

চট্টগ্রাম ওয়াসা বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্ব ব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে ১০৭৮৪৬.২১৬ লক্ষ  টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি গ্রহণ করেছে। প্রকল্পটি জানুয়ারী/২০১২ শুরু হয়ে ডিসেম্বর/২০১৫ সালে সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত। প্রকল্পটি ১১.১.২০১১ তারিখের একনেক বৈঠকে অনুমোদিত হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দৈনিক ৯ কোটি লিটার পানি উৎপাদন করা সম্ভব হবে। তাছাড়া প্রকল্পটির মাধ্যমে সুয়ারেজ ব্যবস্থা প্রবর্তনের সূচনা হবে। জুলাই ২৬, ২০১০ তারিখে বিশ্ব ব্যাংকের সাথে ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বর্তমানে Financial Management Consultant Specialist এবং  Procurement  Consultant Specialist নিয়োগের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। Feasibility Study & Water Treatment Plant Design এর কারিগরী উপদেষ্টা নিয়োগের প্রক্রিয়াও চলতেছে।

 

 

 মোহরা পানি সরবরাহ বর্ধিত করণ প্রকল্প।

সম্পূর্ন জিওবি এর অর্থায়নে ১৯৭৬০.০০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসা ‘‘মোহরা পানি সরবরাহ বর্ধিত করণ প্রকল্প’’ শীর্ষক প্রকল্পটি গ্রহণ করে। প্রকল্পটি ২০০৩ সালে শুরু হয়ে ২০০৯ সালে সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত ছিল। প্রকল্পের একটি অংশের ঠিকাদার নিয়োগে  মামলাজনিত জটিলতার কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন যথাসময়ে সম্ভব হয়নি। ১৮.০২.২০১০ খ্রিঃ তারিখে  মামলার রায় হয়েছে। রায় ওয়াসার পক্ষে এসেছে। ডিপিপি সংশোধন করে অনুমোদনের নিমিত্তে  মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরিকল্পনা কমিশনে প্রেরণ করা হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশন বৈদেশিক সাহায্যের মাধ্যমে নতুনভাবে প্রকল্প গ্রহণ করার পরামর্শ দেন। সে মতে কাজ এগিয়ে যাচ্ছে।

৭। হিসাব বহির্ভূত পানির পরিমান হ্রাসকরণের প্রচেষ্টা সংক্রান্ত প্রকল্প :

 

প্রকল্প ব্যয়

অর্থের উৎস

টাকা ৯৯.৮ মিলিয়ন

জিওবি ১২.৭৮৫ মিলিয়ন টাকা

চট্টগ্রাম ওয়াসা ১৯.২৫ মিলিয়ন টাকা

জাইকা ৬৭.৭৬৫ মিলিয়ন টাকা

জাইকা ও অন্যান্য

                                         

প্রকল্পের উদ্দেশ্যঃ- প্রকল্পটির মাধ্যমে ৫টি পাইলট এলাকায় হিসাব বহির্ভুত পানির পরিমান হ্রাসকল্পে কারিগরী সহায়তা প্রদান, প্রয়োজনীয় যন্র্পাতি সরবরাহ, চট্টগ্রাম ওয়াসা’র জনবলকে প্রশিক্ষণ প্রদান, জিওগ্রাফিক্যাল ইনফর্মেশনস সিসটেমে পাইপ-ডাটা সংযোজন ইত্যাদি। প্রকল্পটি জুলাই ২০০৯ সালে আরম্ভ হয়ে জুন ২০১২ সালে সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত আছে। প্রকল্পটি ১৩ জুলাই/২০০৯ তারিখে অনুমোদিত হয়। নির্ধারিত সময়সুচি মতে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলেছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পটির ৮২% কাজ সমাপ্ত হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পটি সমাপ্ত না হওয়ায় এবং প্রকল্পে আরও কিছু পাইলট এলাকা অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় প্রকল্পটি ৫১৪৫.৫০ লক্ষ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় এবং ডিসেম্বর/২০১৩ পর্যন্ত মেয়াদ কাল বর্ধিত করে সংশোধিত টিপিপি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে।

৮। চট্টগ্রাম মহানগরীর পানি সরবরাহ ব্যবস্থাপনা ও জনসেবা উন্নয়ন প্রকল্প।

 

প্রকল্প ব্যয়

অর্থের উৎস

টাকা : ২৭৯৮.০০ মিলিয়ন

জিওবি : ১৬৬.৫০ মিলিয়ন টাকা

প্রকল্প সাহায্য : ২৬৩১.৫০ লক্ষ টাকা

এডিবি ও জিওবি

 

প্রকল্পের  উদ্দেশ্যঃ- চট্টগ্রাম ওয়াসার পানি সরবরাহ সংক্রান্ত দক্ষতা উন্নয়ন, উন্নত সেবা প্রদানের জন্য সমীক্ষা প্রণয়ন, গ্রাহক সেবা প্রদান সংক্রান্ত, পানির সংযত ব্যবহার এবং প্রদানকৃত সেবার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতকল্পে সচেতনতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত।

প্রকল্পটি জুলাই ২০১১ সালে আরম্ভ হয়ে জুন ২০১৩ সালে সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত আছে। ২৭৯৮.০০ লক্ষ টাকার ডিপিপি প্রস্ত্তত করে পরিকল্পনা কমিশনে প্রেরণ করা হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটি ‘‘পিইসি’’ সভার অপেক্ষায় আছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাঃ-

২০২১ সাল নাগাদ পানির চাহিদা মোকাবেলা করার জন্য চট্টগ্রাম ওয়াসা নিম্নলিখিত প্রকল্প সমূহের পিডিপিপি প্রস্ত্তত করে সরকারের নিকট পেশ করেছে। মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী কর্তৃক প্রকল্পসমূহ নীতিগতভাবে অনুমোদিত হওয়ায় দাতা সংস্থার সাথে অর্থায়নের বিষয়ে যোগাযোগ করার জন্য ইআরডি-তে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

১। ভান্ডারজুরী পানি সরবরাহ প্রকল্প

৬৫৬১.৫৩ মিলিয়ন টাকার প্রাক্কলিত ব্যয়ে প্রকল্পসমূহের সারসংক্ষেপ প্রকল্পের পিডিপিপি প্রস্ত্তুত করা হয়েছে। মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী মহোদয় প্রকল্পটির পিডিপিপি নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন। বর্তমানে দাতা গোষ্ঠীর নিকট অর্থায়নের বিষয়ে আলোচনার জন্য অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে পিডিপিপি প্রেরণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দৈনিক ১০ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করা যাবে এবং কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণাংশে  ১০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা পানি সরবরাহের আওতায় আসবে। এতে করে সুষ্ঠু নগরায়নে প্রতিবন্ধকতা দূরীভূত হবে।

 

২।পাইপ লাইন পুনর্বাসন প্রকল্প

৩০০০ মিলিয়ন টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে প্রকল্পের পিডিপিপি প্রস্ত্তুত করা হয়েছে। মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী মহোদয় প্রকল্পটির পিডিপিপি  নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন। বর্তমানে দাতা গোষ্ঠীর নিকট অর্থায়নের বিষয়ে আলোচনার জন্য অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে পিডিপিপি প্রেরণ করা হয়েছে। প্রকল্পটির অধীনে প্রায় ১২৭ কিলোমিটার পাইপ লাইন পুনর্বাসনের আওতায় আসবে।

 

 

৩।পাইপ লাইন বর্ধিত করণ প্রকল্প

২৫০০ মিলিয়ন টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে প্রকল্পের পিডিপিপি প্রস্ত্তুত করা হয়েছে। মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী মহোদয় প্রকল্পটির পিডিপিপি  নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন। বর্তমানে দাতা গোষ্ঠীর নিকট অর্থায়নের বিষয়ে আলোচনার জন্য অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে পিডিপিপি প্রেরণ করা হয়েছে।

 

৪।পয়ঃ নিষ্কাশন প্রকল্প

৮৯৪৬.৬৩ মিলিয়ন টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে প্রকল্পের পিডিপিপি প্রস্ত্তুত করা হয়েছে। মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী মহোদয় প্রকল্পটির পিডিপিপি নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন। বর্তমানে দাতা গোষ্ঠীর নিকট অর্থায়নের বিষয়ে আলোচনার জন্য অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে পিডিপিপি প্রেরণ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম শহরে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা প্রবর্তন প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। প্রকল্পটিতে হালিশহর এলাকায় ২২০ এম এল ডি ক্ষমতার একটি পয়ঃশোধানাগার নির্মান এবং ১১.৪ কিলোমিটার পয়ঃলাইন নির্মানসহ আনুষাঙ্গিক কার্যক্রম সম্পাদন করা যাবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ২০২১ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরী পয়ঃ নিষ্কাশনের আওতায় আসবে।

 

 

৫।ষ্টর্ম ওয়াটার ড্রেনেজ প্রকল্প

৩০০০ মিলিয়ন টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে প্রকল্পের পিডিপিপি প্রস্ত্তুত করা হয়েছে। মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী মহোদয় প্রকল্পটির পিডিপিপি নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। বর্তমানে দাতা গোষ্ঠীর নিকট অর্থায়নের বিষয়ে আলোচনার জন্য অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে পিডিপিপি প্রেরণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ২০২১ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরীর জলবদ্ধতা অনেকাংশে লাঘব হবে এবং ড্রেনেজ সিষ্টেম ধীরে ধীরে চট্টগ্রাম ওয়াসার আওতাভূক্ত করা সম্ভব হবে।

ওয়াসা ভবন, দামপাড়া, চট্টগ্রাম