মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
ইনোভেশন কর্নার

রিপোর্ট

জেলা প্রশাসনে অফিস ব্যবস্থাপনানাগরিক সেবা ডিজিটাইজেশন

 

.ভূমি অফিস

 

ডিজিটাইজড  ভূমি অফিস, বাংলাদেশে প্রথম উদ্যোগ

দ্রুততা ও স্বচ্ছতার সাথে নাগরিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন চট্টগ্রামের সহায়তায় সদর সার্কেল ভূমি অফিস, চট্টগ্রামকে সম্পূর্ণরূপে ডিজিটাইজড করা হয় যা বাংলাদেশে প্রথম নজির। সদর সার্কেল ভূমি অফিস, চট্টগ্রামে প্রত্যেকটি নামজারি মামলা অনুমোদনের প্রতিটি পর্যায়ে সময় নির্ধারিতকরণ এবং তদানুযায়ী একটি ডেটাবেজ সংরক্ষণ, অফিস ডিজিটাইজেশন, ইন্টারনেট সংযোগ, মোবাইলে এসএমএস-এর মাধ্যমে আবেদনকারীর নিজের মোবাইলে স্ট্যাটাস আপডেট জানানো এবং ওয়েবসাইটেও হালনাগাদ তথ্য প্রদানের জন্য একটি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

 

প্রযুক্তির প্রয়োগে সেবা প্রদান

১. Push Pull Branded SMSএর মাধ্যমে প্রদত্ত সেবা : Aclandsadarএই ব্র্যান্ড নামে নামজারির আবেদনকারীর নিজ মোবাইল নম্বরে নামজারির প্রতিটি ধাপে এসএমএস-এর মাধ্যমে নোটিফিকেশন মেসেজ চলে যাবে। নামজারির প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন করার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে। সর্বোচ্চ ৪৫কার্যদিবসের মধ্যে নামজারির কার্যক্রম শেষ হয়।

 

২. ওয়েবসাইটেও নামজারির সর্বশেষ অবস্থা জানা যাবে : সদর সার্কেল ভূমি অফিস, চট্টগ্রামে একটি ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। নামজারির সর্বশেষ অবস্থা জানতে www.acland-sadarctg.gov.bdএই ওয়েবসাইটের ‘নামজারির মামলার সর্বশেষ অবস্থা জানতে এখানে ক্লিক করুনঅংশে গিয়ে মামলা নম্বর ও আবেদনকারীর নিজস্ব মোবাইল নম্বর দিলে সংশ্লিষ্টনামজারির নথিটি কোন পর্যায়ে রয়েছে তা দেখতেপারেন।

 

৩. Wi-Fi জোন স্থাপন: নামজারি মামলার সর্বশেষ অবস্থা জানার জন্য যে-সকল আবেদনকারী সদর সার্কেল ভূমি অফিসে আসেন তারা এই অফিসের ওয়াই-ফাই ইন্টারনেট সুবিধা গ্রহণ করেথাকেন। কোনো কারণে ব্যর্থ হলে হেল্পডেস্ক কর্মচারীর মাধ্যমেও এই সুবিধা নেয়া যায়।

 

৪. হটলাইন সেবা ( Hotline Service) : সদর সার্কেল ভূমি অফিস হতে পরামর্শ, মামলার তথ্য ও সেবাপদ্ধতি সম্পর্কে জানার জন্য সেবা প্রত্যাশী জনগণকে যাতে সময়, অর্থ ও শ্রম ব্যয় করে অফিসেনাএসে  ঘরে বসেই ছোটখাট সমস্যার সমাধান, তথ্য জানা যায় সেজন্য একটি হটলাইন (Hotline) নম্বর চালু করা হয়েছে। নম্বরটি হল : ০১৭৭০-৭৭৭০০০। আপনার কলটি ফ্রন্টডেস্কে কর্মরত কর্মচারীবৃন্দ রিসিভ করেনএবং প্রত্যাশিত সেবা দিতে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেথাকেন|কোনো কারণে ব্যর্থ হলে সহকারী কমিশনার (ভূমি)র সাথে সরাসরি ০১৭৩৩-৩৩৪৩৬০ এই নম্বরেও যোগাযোগ করা হয়েথাকে।

 

বাস্তবায়ন অগ্রগতি

দ্রুততা ও স্বচ্ছতার সাথে নাগরিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন চট্টগ্রামের সহায়তায় সদর সার্কেল ভূমি অফিস, চট্টগ্রামকে সম্পূর্ণরূপে ডিজিটাইজড করা হয় । এছাড়া ও চট্টগ্রাম জেলার চান্দগা ও সার্কেল  ভূমি অফিস এবং আগ্রাবাদ সার্কেল ভূমি অফিসের ডিজিটাইজেশনের কাজ দ্রুততার সাথে এগিয়ে চলছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ সমাপ্ত হয়েছে । চট্টগ্রাম মহানগরের ৩ টি সার্কেল ভূমি অফিসের ডিজিটাইজেশনের কাজ  সমাপ্ত হলে ক্রমান্বয়ে জেলার সকল উপজেলা ভূমি অফিসকে ডিজিটাইজেশনের আওতায় আনার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

 

          সেবাপ্রাপ্তিতেকাঙ্খিতপরিবর্তন

 

ভূমিঅফিসডিজিটাইজেশনেরফলেদালালদেরদৌরাত্নকমেছে।মানুষসরাসরিসেবাপাচ্ছেতাইমধ্যসত্ত্বভোগীদেরওপরনির্ভরকরতেহচ্ছেনা।ভূমিব্যাবস্থাপনায়ডিজিটাইজেশনেরফলেতথ্যপরিবর্তনেরসুযোগনাথাকায়সকলরেকর্ডস্থায়ীভাবেসংরক্ষিতহচ্ছে, যাভূমিব্যবস্থাপনারক্ষেত্রেমাইলফলকহিসেবেকাজকরবে।ফ্রন্টডেস্কওহটলাইনেসরাসরিআবেদনেরসুযোগথাকায়সচ্ছতাওজবাবদিহিতানিশ্চিতহয়েছে।

 

 

 

.     National E-Service System (NESS) :                 (অনলাইননথিব্যবস্থাপনা)

 

নতুনরূপেNESS এরকার্যক্রম

বিগত মার্চ, ২০১৪-এর শেষ দিকে NESSব্যবহারে সারা বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মধ্যে চট্টগ্রামের অবস্থান ছিলো ৬২তম। এই হতাশাজনক অবস্থানের পেছনে কারণ ছিলো ইন্টারনেট-এর ধীরগতি, কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের অভাব আর কর্মচারীদের নিস্পৃহ উদাসীনমনোভাব। এ ছাড়া এ কার্যালয়ের পুরনো কম্পিউটারগুলো ছিলো আধুনিক প্রযুক্তির মাপকাঠিতে সেকেলে। মে২০১৪, থেকে এ কার্যালয়ের আইসিটি শাখাকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ প্রহনকরাহয়। পুরনো নষ্ট কম্পিউটার গুলো রি-অ্যাসেম্বল করে যুগোপযোগী করা হয়। বিভিন্ন ধাপে আরো নতুন ২২টি কম্পিউটার ওদুইটিল্যাপটপ ক্রয় করা হয় সরকারিবরাদ্দেরবাইরে।

 

প্রযুক্তিরপ্রয়োগেসেবাপ্রদান

এখানে বড়চ্যালেঞ্জ ছিলো ইন্টারনেট কানেকশন ও এর ধীরগতি। বিভিন্ন সময়ে এ কার্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের কারণে পূর্বে স্থাপিত LANক্ষতিগ্রসত্ম হয়। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সমগ্র অফিসের সব কয়টি কক্ষে পুনরায় নতুন করে LANকানেকশন দেয়া হয়। কার্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক রাউটার বসিয়ে পুরো অফিসকে Wi-Fiএর আওতাভুক্ত করা হয়। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় এবং জেলা প্রশাসনের নিজস্ব অর্থায়নে বিভিন্ন প্যাকেজে ১৩এমবিপিএস ইন্টারনেট কানেকশন নেয়া হয়। ১১৬টি কম্পিউটার এবং ২৩টি ল্যাপটপের সমন্বয়ে এ কার্যালয়কে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য সম্পূর্ণরূপে প্রস্ত্তত করা হয়েছে।

 

বাস্তবায়নঅগ্রগতি

বদলিজনিত কারণে অনেক প্রশিক্ষিত কর্মকর্তা-কর্মচারী অন্যত্র চলে যাওয়ায় প্রাথমিক প্রশিক্ষণের পথটা খুব মসৃণ ছিলো না। কর্মকর্তাদের মধ্যে যাদের TOTপ্রশিক্ষণ ছিলো তারাওবিভিন্নসময়েবদলীহয়েগেছেন, পরবর্তীতেনতুনভাবেকর্মকর্তাদেরTOT  প্রশিক্ষণদেয়াহয়এবংতাদের মাধ্যমে প্রথম ধাপে জেলাপ্রশাসনেনিযুক্তঅন্যান্য কর্মকর্তাদের ও দ্বিতীয় ধাপে কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয় ।  NESSএবং ডিজিটাল নথি নম্বর ব্যবহারের ওপর  গুরুত্বারোপ করে পক্ষব্যাপী এই প্রশিক্ষণ ছিলো ফলপ্রসূ। যার ফলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, চট্টগ্রাম বর্তমানে NESSএপ্রথমস্থানেঅবস্থানকরছে।এ কার্যালয়ের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আইসিটি বিষয়ক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে এবং তাঁদেরকে প্রযুক্তিবান্ধব ও দক্ষ করে তোলা হয়েছে।

 

          সেবা প্রাপ্তিতে কাঙ্খিত পরিবর্তন

পুরাতন আমলের নথি ব্যাবস্থাপনা থেকে সরে এসে ডিজিটাল নথি ব্যাবস্থাপনার সাথে অভ্যস্থ হয়ে উঠেছে এ কার্যালয়ের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী । নেস এর ফলে অফিস প্রধান থেকে শুরু করে অফিস সহকারী পর্যন্ত সকলেই ফাইল-নথির অবস্থান, মুভমেন্ট এবং বিষয়বস্তু বুঝতে পারে। কোন ডেস্কে কতটি নথি কতদিন ধরে অনিষ্পন্ন অবস্থায় আছে তা প্রতিদিন পর্যবেক্ষন করা হয়। ফলে কাজের জবাবদিহিতা ও গতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে।সার্বিকভাবে যা সুশাসন নিশ্চিত করতে সহায়তা করছে।

.ডিজিটাল সিভিলস্যুট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (Digital Civil Suit Management System)

বিচারব্যবস্থায়ডিজিটাইজেশন

ভূমি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন দেওয়ানি আদালতে চলমান মামলাসমূহের ব্যবস্থাপনা আরো দক্ষ ও গতিশীল করার নিমিত্ত বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল-এর সহায়তায় চট্টগ্রাম জেলাসহ বাংলাদেশের সকল জেলায় এ সফ্টওয়্যারটি বিগত নভেম্বর/২০১১ খ্রি. সারা দেশে একযোগে চালু হয়েছে। অনলাইনে এন্ট্রি-পদ্ধতি ২০১১ সাল থেকে চালু হলে ও মাঝ পথে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল পরে পুনরায়  জেলাপ্রশাসক জনাব মেজবাহ উদ্দিন এর উদ্যোগে  ২০১৪ সাল থেকে নতুন করে চালু হয় এবং নিয়মিত তথ্য update করা হয়।

প্রযুক্তির প্রয়োগে সেবা প্রদান

এ পদ্ধতিটি চালু হওয়ার পর থেকে অন্যান্য জেলার মতো এ জেলায় ও বিভিন্ন আদালতে (সদর এবং উপজেলায় অবস্থিত আদালতসমূহ) চলমান দেওয়ানি মামলাসমূহের সকল তথ্যাদি রেজিস্টারে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে অমত্মর্ভুক্ত করার পাশাপাশি Digital Civil Suit Management System অনলাইনে মামলাগুলো লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে। ডিজিটাল সিভিল স্যুইট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর মাধ্যমে দেওয়ানী মামলা রেকর্ড করা হয়। ঠিকানা হলো www.csmminland .gov.bd।

বাস্তবায়ন অগ্রগতি

বর্তমানে উক্ত সফটওয়্যারের  মাধ্যমে ১২০০০ (বার) হাজারের মতো দেওয়ানি মামলা এন্ট্রি দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলায় সরকারি স্বার্থ জড়িত/জড়িত নাই সব মিলিয়ে প্রায় বিশ হাজারের মতো মামলা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল মামলা অনলাইনে এন্ট্রি করা হচ্ছে। এ পদ্ধতিটি চালু থাকলে এবং সঠিকভাবে বাসত্মবায়িত হলে সরকারি মামলাগুলোর তদারকিতে আরো গতিশীলতা আসবে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, চট্টগ্রামে এই সিস্টেম ব্যবহারের জন্য ব্যবহারকারী আছে ২ জন। এদের নাম হল মিনু রানী দাশ এবং অরূপ কুমার চৌধুরী। এর মাধ্যমে সরকারবিরূদ্বী মামলাগুলো রেকর্ড হচ্ছে।ফলে সারাদেশের মামলাগুলো এই সফটওয়্যারে সংরক্ষিত হচ্ছে।মন্ত্রণালয় থেকে বসে সব মামলাগুলো সম্পর্কে ধারণা পাবে।মামলার মধ্যে যে বিষয়গুলো সংরক্ষিত হচ্ছে তা হল মামলা নং, মামলার ধরণ, দায়ের তারিখ, আদালত, বাদী, বিবাদী, তফসীল, জিপি/এজিপি।মামলাগুলো অপারেটর দ্বারা এন্ট্রিকরার পর সংশ্লিষ্ টসেকশন অফিসার অনুমোদন প্রদান করেন।পরে আবার চাইলে মামলাগুলো সংশোধন করা যায়।এটি ব্যবহারের জন্য আইডি ও পাসওয়ার্ড প্রয়োজন।

          সেবা প্রাপ্তিতে কাঙ্খিত পরিবর্তন

এ সফটওয়্যার ব্যবহারের ফলে কোন মামলা কি অবস্থায় আছে তা জানা যাচ্ছে এবং মামলা নিষ্পত্তির পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে, এর ফলে কাজে গতিশীলতা এসেছে এবং জনগন উপকৃত হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় সকল মামলা নিবন্ধিত করা হচ্ছে এবং অচিরেই শতভাগ সফলতার মাধ্যমে জনসেবা নিশ্চিত করা যাবে। এতে সরকারি সম্পদ রক্ষা সহ ভুক্তভূগী সাধারন জনগন তাদের কাঙ্খিত মামলা সংক্রান্ত সেবা দ্রুত সময়ে প্রাপ্ত হবে।

 

. জেলা  ই-সেবা কেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক: (নাগরিক সেবা গ্রহনে যুগোপযোগী উদ্ভাবন)

 

গতিশীলতা আনয়নে ফ্রন্টডেস্কের কলেবর বৃদ্ধি

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সকল সেবা স্বল্প সময়ে, স্বল্প খরচে ও ঝামেলাহীন ভাবে প্রদানের লক্ষ্যে ২০১১ সালের ১৪ নভেম্বর দেশের সকল জেলার সাথে চট্টগ্রামে জেলা ই-সেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। জেলা ই-সেবা কেন্দ্রে রয়েছে সুদৃশ্য আধুনিক ফ্রন্টডেস্ক-যেখানে সকলনাগরিক ও দাপ্তরিক আবেদন সরাসরি, ডাকযোগে কিংবা ই-মেইলে গ্রহণ করা হয়। ২০১৩ সালের ১ জুলাই জেলা ই-সেবা কেন্দ্রটি জাতীয় ই-সেবা সিস্টেম (NESS) দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। কিন্তু জেলা ই-সেবা কেন্দ্র হতে জনগণ তাদের কাংখিত সেবাগ্রহণ করতে পারতো না। জেলা প্রশাসকের ব্যক্তিগত উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চট্টগ্রাম এর জেলা ই সেবাকেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক কেন তুণআঙ্গিকে ও বৃহত্তর পরিসরে সাজানো

প্রযুক্তির প্রয়োগে সেবা প্রদান

আধুনিক প্রযুক্তির ব্যাবহার এবং দ্রুতগতির ইন্টারনেট, ওয়াইফাই এর সুবিধা একেন্দ্রকে করেছে গতিময় ও অত্যাধুনিক।এ কার্যালয়ে মূল ফটকের সম্মুখভাগে এর  অবস্থানের কারণে সেবা প্রপ্তিতে জনমানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হয় না।

 

জেলা ই-সেবা কেন্দ্র হতে প্রদত্ত উল্লেখযোগ্য অনলাইনভিত্তিকসেবাসমূহ:

§         নাগরিকআবেদনগ্রহন

§         দাপ্তরিকআবেদনগ্রহন

§         সি. এস. আর. এস. এস.এ. দিয়ারা, পেটি, বি.এস. খতিয়ান ও নকশাসহ নানাবিধ সরকারি দলিলের সহিমোহরী নকল সরবরাহ;

§         জনস্বার্থে ভূমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিগ্রস্থভূমি মালিকদের মধ্যে ক্ষতিপূরণ বিতরণেরতথ্যদি

§         বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থদেরমধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণেরতথ্যদি

§         হজ্ববিষয়ক প্রয়োজনীয় সহায়তা;

§         বিভিন্ন ব্যবসার বাণিজ্যিক লাইসেন্স প্রদান;

§         আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স সংক্রামত্ম সহায়তা প্রদান

§         উপজেলাধীন সায়রাত মহাল, বদ্ধ জলমহাল ও বালুমহাল ইজারা সংক্রান্ততথ্যাদি

§         কৃষি, অকৃষি, হাটবাজারের খাসজমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবসত্ম সংক্রান্ততথ্যাদিওফরম

§         হাটবাজার পেরিফেরিকরণ, হাটবাজারের খাসজমি চিহ্নিতকরণ, হাটবাজার অভ্যমত্মরস্থ খাসজমি বন্দোবসত্ম/বণ্টনসংক্রান্ততথ্যাদিওফরম

§         অর্পিত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা, লিজ প্রদান ও নবায়ন সংক্রান্ততথ্যাদি

§         বিদেশগামী কর্মীদেরকে উদ্বুদ্ধকরণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান

§         বিদেশে মৃত্যুবরণকারীদের লাশ আনয়ন এবং ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তিতে সহায়তা প্রদান

§         উপজাতীয়দের উন্নয়ন ও শিশু অধিকার বিষয়ক তথ্যাদিপ্রদান

§         প্রাথমিক শিক্ষা ও স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা পরিচালনা বিভিন্নসহায়তা

§         ফ্রিওয়াই-ফাইএরমাধ্রমেইন্টারনেটসেবাপ্রাপ্তি

§         হটলাইনেরমাধ্যমেযেকেউযেকোনসময়েতারপ্রয়োজনীয়তথ্যাদিপেয়েথাকে।

বাস্তবায়নঅগ্রগতি

মূলফ্রন্টডেস্কছাড়াকাজেরগতি, স্বচ্ছতাওহয়রানিলাঘবেঅতিসম্প্রতিএলএশাখায়ফ্রন্টডেস্কস্থাপনকরাহয়েছে।ল্যান্ডএক্যুইজিশনশাখারপ্রতিটিস্তরেস্বচ্ছতাওজবাবদিহিতাআনয়নেরলক্ষেএবংদালালশেণিরদৌরাত্বনির্মূলকরেজনসেবানিশ্চিতকরণইএরমূললক্ষ।

 

           সেবাপ্রাপ্তিতেকাঙ্খিতপরিবর্তন

জেলাই-সেবাকেন্দ্রওফ্রন্টডেস্কএবংএল.এশাখারআরওএকটিফ্রন্টডেস্কজেলাপ্রশাসনচট্টগ্রামেরএকটিঅনন্যসাফল্য।প্রতিদিনএডেস্কগুলোথেকেঅসংখ্যমানুষসেবানিচ্ছে।এস.এম.এসএরমাধ্যমেতাদেরজমাদেওয়াআবেদনেরঅবস্থানতারাজানতেপারেন।ফলেসচ্ছতাওজবাবদিহিতানিশ্চিতহয়েছে।একইসাথেমধ্যস্বত্তাভোগীদেরদৌরাত্ব্যকমেএসেছে।জনগনসরাসরিতারকাঙ্খিতসেবাগ্রহনকরতেপারছে।এমনকিঅফিসেসরাসরিউপস্থিতনাহয়েওঅনেকসেবাঘরেবসেইপাচ্ছে। 

 

.ক্লোজসার্কিটক্যামেরা:          (ভার্চুয়ালঅফিসনিয়ন্ত্রনদুর্নীতিপ্রতিরোধ)

 

স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতানিরাপত্তায়গৃহীত উদ্যোগ

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সম্পূর্ণভাবে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে।  বর্তমানজেলাপ্রশাসকজনাবমেজবাহউদ্দিনব্যক্তিগতউদ্যোগেএকার্যালয়ের ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ©স্থানে ১৬টি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসিয়ে সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। ফলে অযাচিত মানুষের ভিড় ও দালালের দৌড়াত্নকমেছে। এ কার্যালয়ে নিরাপত্তার স্বার্থে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনয়নের লক্ষ্যে এবং ডিজিটাইজেশনের অংশ হিসেবে সিসি ক্যামেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।স্থাপিতক্লোজসার্কিটক্যামেরাস্থানীয়ISP এরসহায়তায়জেলাপ্রশাসকতারনিজস্ববাংলোঅফিস, বাসাওঅফিসেরনিরাপত্তাওঅন্যান্যবিষয়এইক্লোজসার্কিটক্যামেরারমাধ্যমেতদারকিকরেথাকেন।এটিজেলাপ্রশাসকেরনিজস্বউদ্যোগ, যাতেকরেঅফিসেএসেকোনসেবাগ্রহীতাকোনদালালচক্রেরখপ্পরেপড়েসেবাপ্রাপ্তিথেকেবঞ্চিতনাহন।

 

প্রযুক্তিরপ্রয়োগেসেবাপ্রদান

একার্যালয়ের ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ©স্থানে ১৬টি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসিয়ে সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।স্থাপিতক্লোজসার্কিটক্যামেরাস্থানীয়ISP এরসহায়তায়জেলাপ্রশাসকতারনিজস্ববাংলোঅফিস, বাসাওঅফিসেরনিরাপত্তাওঅন্যান্যবিষয়এইক্লোজসার্কিটক্যামেরারমাধ্যমেতদারকিকরেথাকেন।

 

          বাস্তবায়নঅগ্রগতি

একইসাথেঅত্রকার্যালয়েরগুরুত্বপূর্ণএকটিশাখায়দালালচক্রেরআনাগোনাবন্ধেরজন্যসিসিক্যামেরাস্থাপনকরাহয়েছে।এতেকরেএকার্যালয়েদালালদেরদৌরাত্নবন্ধহয়েছে।নাগরিকগনতাদেরকাংখিতসেবামধ্যস্বত্বভোগীদেরবাদদিয়েইসরাসরিঅফিসহতেপ্রাপ্যসেবাগ্রহণকরছেন।এমনকিসকলস্তরেরকর্মকর্তাগণনিয়মিতনাগরিকদেরশুনাণীনিয়েথাকেন।ভবিষ্যতেপ্রয়োজনবিবেচনায়  বিভন্নপয়েন্টে/ সেকশনেআরোক্লোজসার্কিটক্যামেরাস্থপনকরাহবে।

           সেবাপ্রাপ্তিতেকাঙ্খিতপরিবর্তন

জেলাপ্রশাসকেরকার্যালয়েরনিরাপত্তানিশ্চিতহয়েছেএবংঅযাচিত মানুষের ভিড় ও দালালের দৌড়াত্নকমেছে।একইসাথেজেলাপ্রশাসকনিজেপুরোঅফিসেরচালচিত্রনিয়মিতমনিটরিংকরেথাকেন।২৪×৭ঘন্টাএইমনিটরিংব্যাবস্থানির্ধারিতসার্ভারেসংরক্ষিতহচ্ছে।ফলেঅসাধুব্যাক্তিদেরভয়েঅফিসক্যাম্পাসেআসতেএবংঅসৎউদ্দেশ্যবাস্তবায়নকরতেব্যর্থহচ্ছে।ভার্চুয়ালব্যাবস্থাপনায়যুক্তহচ্ছেঅনলাইনব্যবস্থাফলেজেলাপ্রশাসকযেকোনস্থানথেকেঅফিসমনিটরিংকরতেপারেন।

 

.ডিজিটালবায়োমেট্রিক্সএটেনডেন্স:

       

স্বচ্ছতাজবাবদিহিতায়গৃহীতউদ্যোগ

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সম্পূর্ণভাবে ডিজিটালএটেনডেন্সসিস্টেমএরআওতাভুক্ত।প্রতিদিনসকলকর্মকর্তাওকর্মচারীযথাক্রমেপাঞ্চকার্ডওথাম্বইম্প্রেশনেরমাধ্যমেপ্রতিদিনসকাল০৯.০০এরমাঝেঅফিসেতাদেরউপস্থিতিনিশ্চিতকরেন।

 

প্রযুক্তিরপ্রয়োগেসেবাপ্রদান

এটিসম্পুর্ণভাবেপ্রযুক্তিনিবৃরএকটিব্যবস্থা।ডিজিটালএটেনডেন্সসিস্টেমযন্ত্রটিরমাধ্যমেপাঞ্চকার্ডওথাম্বইম্প্রেশনেরপ্রয়োগঘটিয়েসকলকর্মকর্তা-কর্মচারীগণতাদের  উপস্থিতিনিশ্চিতকরেন।

 

             সেবাপ্রাপ্তিতেকাঙ্খিতপরিবর্তন

এপরিবর্তনেরমাধ্যমেজেলাপ্রশাসকেরকার্যালয়, চট্টগ্রামএকটিসুশৃঙ্খলঅফিসেপরিণতহয়েছে।সকলেরসঠিকসময়েউপস্থিতিতেকাজেরগতিবৃদ্ধিপেয়েছেএবংনাগরিকসেবারমানবৃদ্ধিপেয়েছে। 

 

জেলাপ্রশাসকেরকার্যালয়চট্টগ্রামেব্যবহৃতডিজিটালবায়োমেট্রিক্সএটেনডেন্সমেশিনওথাম্বইম্প্রেশন

.ওয়েব পোর্টাল: (স্বপ্রনোদিততথ্যপ্রকাশ)

 

ওয়েবপোর্টালএরতথ্যহালনাগাদকার্যক্রম

তথ্যঅধিকারআইনেরবাস্তবায়নেজনগনকেতাদেরপ্রয়োজনীয়তথ্যাদিস্বপ্রণোদিতভাবেপ্রদানেরলক্ষেইএইওয়েবপোর্টালেরযাত্রা।মার্চ, ২০১৪-এর শেষ ভাগে জেলা ওয়েব পোর্টালে তথ্য সন্নিবেশের শতকরা হার ছিলো ৮৩%, উপজেলাপর্যায়ে৪০% এবংইউনিয়নপর্যায়ে৩০%। এপ্রিল, ২০১৪-এর শুরুথেকে জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পোর্টাল হালনাগাদ করার বিষয়ে জেলা প্রশাসকচট্টগ্রাম-এর তত্ত্বাবধানে জোর তৎপরতা শুরুহয়। উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে উপজেলা টেকনিশিয়ান এবং ইউআইএসসি উদ্যোক্তাদের ওয়েব পোর্টাল বিষয়ক দুইদিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। প্রত্যেকটি সরকারি অফিসকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার-এর কার্যালয়ে এসে নিজ নিজ তথ্য হালনাগাদ করার জন্য তাগিদ দেয়া হয় এবংনিয়মিতমনিটরিংকরাহয়।যার ফলে চট্টগ্রাম জেলা, এর ১৪টি উপজেলা  এবং১৯1টিইউনিয়নওয়েব পোর্টালের Accuracyবর্তমানে এসে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১০০% ও ৯৮%। জেলা পোর্টালে লিংক আছে প্রায় ২৫৩টি। সরকারি অফিস যুক্ত আছে ৫৩টি।

প্রযুক্তিরপ্রয়োগেসেবাপ্রদান

ওয়েবপোর্টালেরমাধ্যমেসেবাপ্রদানসম্পৃর্ণভাবেইপ্রযুক্তিভিত্তিকপ্রক্রিয়া।পোর্টালেসন্নিবেশিত  তথ্য-উপাত্তসমুহথেকে  জনসাধারণতারকাঙ্খিততথ্যটিপেতেপারে।জেলা, উপজেলাওইউনিয়নপর্যায়েরসকলওয়েবপোর্টালেসকলতথ্যসন্নিবেশিতহওয়ারফলেসাধারনমানুষখুবসহজেইতারপ্রয়োজনীয়তথ্যসংগ্রহকরতেপারেন।

 

বাস্তবায়নঅগ্রগতি

  বর্তমানেচট্টগ্রাম জেলা, এর ১৪টি উপজেলা  এবং১৯৫টিইউনিয়নওয়েব পোর্টালের Accuracyবর্তমানে এসে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১০০% ও ৯৮%। বাংলাদেশের যেকোনো জেলার তুলনায় সঠিকতার মান যাচাইয়ে চট্টগ্রাম জেলা ওয়েব পোর্টাল বস্ত্তনিষ্ঠ তথ্য প্রদর্শন করে যাচ্ছে| ফলেঅনেকতথ্যজনগণএখনপোর্টালথেকেইসংগ্রহকরেথাকে, এমনকিতথ্যঅধিকারআইনেরআওতায়আলাদাভাবেএখনআবেদনকরারপ্রয়োজনহয়না।

 

          সেবাপ্রাপ্তিতেকাঙ্খিতপরিবর্তন

এঅভনবপরিবর্তনেসাধারনমানুষঅবাধেযেকোনতথ্যসংগ্রহকরতেপারছেএবংতথ্যঅধিকারআইনসঠিকভাবেবাস্তবায়নেরমাধ্যমেজনগনেরসেবাসুনিশ্চিতহচ্ছে।জেলা, উপজেলাওইউনিয়নপর্যায়েরসকলওয়েবপোর্টালেসকলতথ্যসন্নিবেশিতহওয়ারফলেসাধারনমানুষখুবসহজেইতারপ্রয়োজনীয়তথ্যসংগ্রহকরতেপারেন।তথ্যঅধিকারআইনেরস্বপ্রনোদিততথ্যপ্রকাশপোর্টালেরমাধ্যমেইনিশ্চিতকরাহচ্ছে। 

 

.   ইউডিসি(Union Digital Center):                  (জনগনেরদোরগোড়ায়সেবাপৌঁছানো)

 

২০১১ সালের ১১ নভেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারা দেশে একযোগে সব কয়টি ইউনিয়নে ইউআইএসসি (বর্তমানে ইউডিসি) উদ্বোধন করেন। মূলত প্রযুক্তিকে  গ্রামেগঞ্জে, প্রত্যমত্ম অঞ্চলের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে দেবার অভিপ্রায়েই ইউডিসি’র জন্ম। সে সময় থেকে চট্টগ্রামে ২১৩টি ইউডিসির যাত্রা শুরু। একজন পুরুষও একজন নারী পরিচালক-এর সমন্বয়ে গঠিত এই ইউডিসিগুলো অনলাইন জন্মনিবন্ধন, অনলাইন প্রচার আবেদন, বিদেশ গমনেচ্ছুদের রেজিস্ট্রেশনসহ নানাবিধ সেবা দিয়ে প্রত্যমত্ম অঞ্চলের মানুষের অর্থ ও সময় উভয় সাশ্রয় করছে। ২০১১ সালের ১১ নভেম্বরএচালুএকার্যক্রমঅত্যন্তসুচারুভাবেপর্যবেক্ষণওতত্বাবধানেরমাধ্যমেপ্রযুক্তিভিত্তিকসেবাগুলোগ্রামেগঞ্জে, প্রত্যমত্ম অঞ্চলের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে দিচ্ছে।

 

প্রযুক্তিরপ্রয়োগেসেবাপ্রদান

ইউনিয়নপর্যায়েআনলাইনভিত্তিকসেবাপ্রদানেইউডিসিগুলোঅগ্রণীভূমিকাপালনকরছে।ইউডিসিগুলো অনলাইন জন্মনিবন্ধন, অনলাইন প্রচার আবেদন, বিদেশ গমনেচ্ছুদের রেজিস্ট্রেশনসহ নানাবিধ সেবা দিয়ে প্রত্যমত্ম অঞ্চলের মানুষের অর্থ ও সময় উভয় সাশ্রয় করছে। এ ছাড়া ইউনিয়ন ওয়েব পোর্টাল হালনাগাদকরণে ইউডিসি পরিচালকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

 

          বাস্তবায়নঅগ্রগতি

যে সব ইউডিসিতে বিদ্যুতের ঘাটতি আছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সহায়তায় সে সব ইউডিসিতে ইতোমধ্যে সোলার প্যানেল সরবরাহ করা হয়েছে। তাদের দেয়া হয়েছে ফ্রিল্যান্সিং-এর ওপর তিনদিন ও পাঁচদিন মেয়াদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ। তাদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার জন্য জেলা প্রশাসনের নিজস্ব অর্থায়নে একাধিকবার দেয়া হয়েছে সার্ভিস বিষয়ক নানাবিধ প্রশিক্ষণ।

 

            সেবাপ্রাপ্তিতেকাঙ্খিতপরিবর্তন  

ইউডিসিসমূহকর্যকরথাকায়গ্রামেরসাধারননাগরিকজেলা/উপজেলায়নাএসেইতারবাড়িরপাশেরইউডিসিথেকেনাগরিকসেবাপায়।এতেঅর্থওসময়উভয়ইকমলাগছে, সরকারিঅফিসগুলোতেসেবাপ্রাপ্তিরজন্যকমআসতেহচ্ছে।ফলশ্রুতিতেইউনিয়নপরিষদেঅবস্থিতইউডিসিতেসধারননাগরিকেরআধিক্যবেড়ছে।এছাড়াস্থানীয়একজনউদ্যোক্তারকর্মসংস্থানহচ্ছেএবংতারসহযোগিতায়আরোঅনেকউদ্যোক্তাতৈরিহচ্ছে।  

 

.মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:    (অনলাইলক্লাসব্যবস্থাপনাশিক্ষারগুনগতমানোন্নয়ন)

মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার ‘রূপকল্প-২০২১’ বাস্তবায়নেশিক্ষা ব্যবস্থার ডিজিটাইজেশন একটি গুরুত্বপূর্ণপদক্ষেপ। প্রথাগত শিক্ষাব্যবস্থার সাথে সমন্বয় করে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমব্যবহার এ কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করেছে। মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে শিক্ষাদানের ফলে শিক্ষার্থীরা সুন্দর ও সুশৃঙ্খল এবং গভীরভাবে পঠিত বিষয়টি জানতে পারছে।

প্রযুক্তিরপ্রয়োগেসেবাপ্রদান

 

মালাটিমিডিয়াক্লাসরুমএরমূলভিত্তিহলোপ্রযুক্তিপ্রয়োগেশিক্ষাপ্রদান।অর্থাৎপ্রচলিতক্লাসরুমব্যবস্থাপনারসাথেপ্রযুক্তিরসমন্বয়ঘটিয়েশিক্ষাব্যাবস্থাকেআরোগতিশীলকরা।শিক্

Innovation Content Type

রিপোর্ট